ঈদের আগে শ্রম পরিস্থিতি যে কোন সময়ের চেয়ে সন্তোষজনক

ঢাকা, ১৫ শ্রাবণ (৩০ জুলাই) :  

ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের বেতন বোনাসের বিষয়ে গার্মেন্টসসহ সকল প্রকার শিল্প খাতের শ্রম পরিস্থিতি যে কোন সময়ের চেয়ে সন্তোষজনক।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। 

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এক বিবৃতিতে ঈদের আগে শ্রম পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ঈদের আগের নিদিষ্ট সময়ে শ্রমিকদের প্রতিশ্রুত বেতন বোনাস প্রদান করায় মালিকদের ধন্যবাদ জানান। প্রতিমন্ত্রী মালিক-শ্রমিক সকলকে ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি করোনা দুর্যোগময় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিজেদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কর্মস্থল ত্যাগ না করতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান। 

শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে এম আব্দুস সালাম বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর শ্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের দু’টি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং মালিক-শ্রমিকদের সমন্বয়ে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করা হয়। সারা দেশে গঠিত ২৩টি কমিটি আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। ঈদের আগে শ্রম পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে মালিক শ্রমিক সবাই আন্তরিক।

ঈদের আগে বেতন-বোনাস বিষয়ে শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায় জানান অন্য যে কোন ঈদের চেয়ে এ বারের ঈদুল আজহার আগে বেতন বোনাস নিয়ে শ্রম অসন্তোষ নেই বললেই চলে। সারা দেশে বিশেষ করে শ্রমঘন শিল্প এলাকা ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামে দু’চারটে কারখানায় শ্রম অসন্তোষের আশংকা থাকলেও আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছেন এবং আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকা, গাজীপুর এবং চট্টগ্রামে তিনটি কারখানার বেতন বোনাসের সমস্যা নিয়ে তিন আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাপরিদর্শকগণ মালিকদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সন্ধ্যা নাগাদ সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ এবং প্রক্রিজাতকরণের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুদের কেউ যাতে নিয়োগ না করে সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আবারও অনুরোধ করেছে। তিনি বলেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শকগণ নিবিড় পরিদর্শনে থাকবেন মর্মে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে শ্রম আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।