স্টাফ রিপোটারঃ- বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলা সদরে সরকারি নির্দেশনা না মেনে বেশি মোনফা লাভের জন্য হায়ার এন্টিবায়টিক ব্যবহার করছে উপজেলার বেশির ভাগ পল্লী চিকিৎকরা। সচেতন মহল মনে করছেন এতে করে সাধারন মানুষের অপচিকিৎসার শিকার হয়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
উপজেলা সদরে পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানসহ সদরের বেশির ভাগ ডেন্টালসহ নামধারী চিকিৎসকের কবলে পড়ে সাধারণ মানুষ অপচিকিৎসার শিকার হয়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।তারা বেশির ভাগ কোম্পানীর কাছ থেকে টাকা খেয়ে হায়ার এন্টিবায়টিক ব্যবহার করে এবং অধিক মুনফার জন্য বিভিন্ন নামধারী প্যাথলজীতে টেস্ট দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
সদরসহ প্রতান্ত অঞ্চলের বেশিরভাগ স্থানে গত কয়েক বছর ধরে গ্রাম ডাক্তার ও পল্লী চিকিৎসক নামধারী চিকিৎসকদের কাছে চিকিৎসা নিতে এসে দরিদ্র মানুষ অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। আবার কখনো কখনো ভুল চিকিৎসায় রোগী মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।উপজেলায় প্রায় তিন শত পল্লী চিকিৎসক রয়েছে তাদের বেশির ভাগ চিকিৎকের নেই কোন সার্টিফিকেট তবে তারা মেরোপেনামের মত হায়ার এন্টিবায়টিক ব্যবহার করছে।এতে করে সাধারন মানুষ আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নাম না বলা শর্তে পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানের কাছে একাধীক অপচিকিৎসার শিকার ভুক্তভুগি জানান সদরে পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমান মেরোপেনামের মত হায়ার এন্টিবায়টিক ব্যবহার করে আসছে দীর্ঘ দিন থেকে সেটা কি ভাবে করে। এটা কি প্রসাশনকে ম্যানেজ করে করছে তাদেও একটাই প্রশ্ন?
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমান বলেন এন্টিবায়টিক লেখা আমার কোন এক্তিয়ার নাই। অন্যান্য পল্লী চিকিৎসকরা এন্টিবায়টিক লিখে বলে আমিও লেখি।
উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ বকতিয়ার আল মামুন বলেন, এমবিবিএস ও বিডিএস পাস করা চিকিৎসক ছাড়া যারা সরকারি প্রশিক্ষণধারী পল্লী চিকিৎসকরা ১২টি ও মেডিক্যাল সহকারিরা ৩০টি ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখতে পারবেন। এর বাইরে কোনো ওষুধ তারা লিখতে পারবেন না।তিনি আরো বলেন পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানকে মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে সে জেন এন্টিবায়টিক ব্যবহার না করে।তার পরেও সে ব্যবস্থাপত্রে এনিটবায়টিক লিখলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।